জুড়ী টাইমস সংবাদঃ জুড়ীতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে সড়ক পরিবহন আইনে ২২ জনকে ১৮ হাজার ২ শত টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অসীম চন্দ্র বনিক এ আদালত পরিচালনা করেন। 

এসময় সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৪/৬৬ ধারা, দন্ডবিধির ১৮৬০ এর ১৮৮ ধারা, ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৮ ধারা এবং দন্ডবিধির ১৮৬০ এর ২৬৯ ধারায় জুড়ী উপজেলার দক্ষিণ বড়ধামাই গ্রামের জেবরুল ইসলাম, গরেরগাঁও গ্রামের নওশাদ হোসেন, জালালপুর গ্রামের আব্দুস সালাম, উত্তর বড়ডহর গ্রামের আজির আলী, নজরুল ইসলাম, জাঙ্গালিয়া গ্রামের বাবুল হোসেন, গৌরিপুর গ্রামের তৈমুছ আলী, রহিমপুর গ্রামের সুলতান আলী, ফুলতলা বাজার গ্রামের তাজুল ইসলাম, নাসির উদ্দিন, নুর মিয়া, দুদুল মিয়া, বটুলী গ্রামের সীপন দেব, কোনাগাঁও গ্রামের আব্দুল মতিন, বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ দোহালিয়া গ্রামের আহসান উদ্দিন আবুল, গাংকুল গ্রামের ফখরুল ইসলাম, ভুকশিমইল গ্রামের মারুফ আহমদ, হাসনাবাদ গ্রামের কবির মিয়া, কাঠালতলী গ্রামের মতিউর রহমান, কুলাউড়া উপজেলার ভাতাইয়া গ্রামের জসিম উদ্দিন, বীরগোগালী গ্রামের মানিক মিয়া, গোগালীছড়া গ্রামের মোঃ আব্দুল বারীকে ১৮ হাজার ২ শত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। 
অভিযানকালে জুড়ী থানার ওসি মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার ও ওসি তদন্ত আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। ইউএনও অসীম চন্দ্র বনিক ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জুড়ী টাইমস সংবাদঃ লকডাউন অমান্য করে বিয়ে করতে আসায় জুড়ীতে বরকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। রোববার (১৯এপ্রিল) উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে এ আদালত পরিচালনা করেন জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী হাকিম অসীম চন্দ্র বনিক।

স্থানীয় সূত্র জানা যায়, করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে সম্প্রতি জেলায় লকডাউন ঘোষনা করে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। এ অবস্থায়ই পার্শবর্তী কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের ভাতাইয়া গ্রামের বাসিন্দা ফুল মিয়ার পুত্র জসিম মিয়া বাহাদুরপুরে বিয়ে করতে আসেন। এ সময় সেখানে জনসমাগমের সৃষ্টি হয়। সংবাদ পেয়ে দুপুরে ইউএনও ওই গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে বরকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পরে বিয়ের কার্যাদি সমাপ্ত না করেই বরকে বিদায় দেয়া হয়।

ইউএনও অসীম চন্দ্র বনিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জুড়ী টাইমস সংবাদঃ জুড়ীতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে সড়ক পরিবহন আইনে ৭ জনকে জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকালে নাইট চৌমোহনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অসীম চন্দ্র বনিক এ আদালত পরিচালনা করেন।

এসময় সড়ক পরিবহন আইনে (২০১৮ এর ৪/৬৬ ধারা) উপজেলার নয়াগ্রামের শফিকুল ইসলাম, জাঙ্গিরাই গ্রামের আবু মুসা, ভোগতেরা গ্রামের রুবেল আহমদ, বড়লেখা উপজেলার দোহালিয়া গ্রামের মিজানুর রহমান, দক্ষিণভাগ গ্রামের সুহেল, কুলাউড়া উপজেলার কুলাউড়া গ্রামের হাবিবুর রহমান এবং ব্রাম্মনবাড়ীয়া জেলার রাধানগর গ্রামের শ্যামল চন্দ্র দাসকে পাঁচশ টাকা করে মোট ৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানকালে জুড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও অসীম চন্দ্র বনিক ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জুড়ী টাইমস সংবাদঃ জুড়ীতে করোনা ভাইরাসজনিত পরিস্থিতিতে সাধারণ ছুটির ফলে কর্মহীন গৃহবন্দী হয়ে পড়া এক হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ  করেন এক সৌদী আরব প্রবাসী।
 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই প্রবাসী তার পরিবারের লোকজনের মাধ্যমে জুড়ী উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে এসব খাদ্য সামগ্রী সম্প্রতি সময়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দেন।
বিশেষ প্রতিনিধিঃ সাম্প্রতিক করোনাভাইরাস সংক্রমণকালে সারাদেশের কল-কারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার বন্ধ হলেও ছুটি দেয়া হয়নি চা বাগান গুলোতে। ফলে রীতিমত করোনা ঝুঁকিতে প্রতিদিন দেশের ২৩০টি চা বাগানে কাজ করছেন দেড় লক্ষাধিক চা শ্রমিক। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশী অসচেতন চা শিল্পের মানুষজন। এছাড়া চা বাগানগুলোতে স্বাস্থ্য সেবার তেমন কোন সু-ব্যবস্থাও নেই। তাদের বসত বাড়ির অবস্থাও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নেই তাদের চলাচল।

করোনাভাইরাস সংক্রমণকালে ছুটির দাবিতে গত ১১ এপ্রিল শনিবার সকাল ৯টায় একযোগে ২৩০টি চা বাগানে চা শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে সম্প্রতি বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বুধবার (১৫ এপ্রিল) করোনাভাইরাস ঝুঁকির হাত থেকে চা শ্রমিকদের রক্ষার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবরে লিখিত একটি আবেদন প্রেরণ করা হয়। বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাখন লাল কর্মকর্তার ও সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরীসহ কেন্দ্রী কিমিটির নেতৃবৃন্দ এ আবেদনে স্বাক্ষর করেন।

চা শ্রমিক নেতা ও মাসিক চা মজদুর পত্রিকার সম্পাদক সীতরাম বীন বলেন, যেখানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে সারাদেশ এখন করোনা ঝুঁকিতে সেখানে একমাত্র দেড় লক্ষাধিক চা শ্রমিকদের ঝুঁকির মাঝে রেখে তাদের ছুটি বাতিল করা হয়। তিনি বলেন, চা শ্রমিকদের ৯৫ শতাংশই নারী শ্রমিক। তাদের কর্মস্থল পাহাড়ি উঁচু নিচু টিলা ভূমি। সেখানে স্বাস্থ্য সেবার কোন সুবিধা নেই। তারা কোন প্রকার সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করছে না। বিশেষ করে উত্তোলিত চা পাতা ওজন দিয়ে ট্রাকে তোলার সময় গাদাগাদি করে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয়। তাছাড়া দুপুরের মধ্যাণ্য ভোজের সময়ই সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে একত্রে বসে খাবার গ্রহন করেন। ফলে তাদের মাঝে করোনা ঝুঁকি সবচেয়ে বেশী রয়েছে।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরী বলেন, সারাদেশের ২৩০টি চা বাগানের নিবন্ধিত ও অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় দেড় লক্ষাধিক চা শ্রমিক রয়েছে। এই দেড় লক্ষাধিক চা শ্রমিক ও তাদের পরিবার এখন সম্পূর্ণরুপে করোনা ঝুঁকিতে রয়েছে। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, গত ৩১ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভিডিও কনফারেন্সের সময় সিলেটের জেলা প্রশাসক বলেছিলেন এ বিভাগের চার জেলা করোনামুক্ত। আর চা বাগানেও করোনার শঙ্কা নেই। তবে বর্তমান অবস্থায় সিলেট বিভাগের ৪ জেলায় করোনা সংক্রমণ রোগী রয়েছে এবং করোনা আক্রান্ত হয়ে রোগী মৃত্যুবরণও করেছে। এখন পুরো বিভাগ লকডাউনে আছে। তারপরও চা বাগানের শ্রমিকদের ছুটি দেওয়া হয়নি। তাই চা শ্রমিকদের করোনা ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে তাদের মানবিক বিবেচনায় সাধারণ ছুটি দানে নির্দেশনা দিতে চা শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে বুধবার প্রধানমন্ত্রী বরাবরে লিখিত আবেদন পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এরপরও চা শ্রমিকদের ছুটি না দিলে চা শ্রমিক ইউনিয়নের পরবর্তী সভা করে প্রয়োজনীয় কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বিশেষ প্রতিনিধিঃ সাম্প্রতিক করোনাভাইরাস সংক্রমণকালে সারাদেশের কল-কারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার বন্ধ হলেও ছুটি দেয়া হয়নি চা বাগান গুলোতে। ফলে রীতিমত করোনা ঝুঁকিতে প্রতিদিন দেশের ২৩০টি চা বাগানে কাজ করছেন দেড় লক্ষাধিক চা শ্রমিক। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশী অসচেতন চা শিল্পের মানুষজন। এছাড়া চা বাগানগুলোতে স্বাস্থ্য সেবার তেমন কোন সু-ব্যবস্থাও নেই। তাদের বসত বাড়ির অবস্থাও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নেই তাদের চলাচল।

করোনাভাইরাস সংক্রমণকালে ছুটির দাবিতে গত ১১ এপ্রিল শনিবার সকাল ৯টায় একযোগে ২৩০টি চা বাগানে চা শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে সম্প্রতি বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বুধবার (১৫ এপ্রিল) করোনাভাইরাস ঝুঁকির হাত থেকে চা শ্রমিকদের রক্ষার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবরে লিখিত একটি আবেদন প্রেরণ করা হয়। বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাখন লাল কর্মকর্তার ও সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরীসহ কেন্দ্রী কিমিটির নেতৃবৃন্দ এ আবেদনে স্বাক্ষর করেন।

চা শ্রমিক নেতা ও মাসিক চা মজদুর পত্রিকার সম্পাদক সীতরাম বীন বলেন, যেখানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে সারাদেশ এখন করোনা ঝুঁকিতে সেখানে একমাত্র দেড় লক্ষাধিক চা শ্রমিকদের ঝুঁকির মাঝে রেখে তাদের ছুটি বাতিল করা হয়। তিনি বলেন, চা শ্রমিকদের ৯৫ শতাংশই নারী শ্রমিক। তাদের কর্মস্থল পাহাড়ি উঁচু নিচু টিলা ভূমি। সেখানে স্বাস্থ্য সেবার কোন সুবিধা নেই। তারা কোন প্রকার সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করছে না। বিশেষ করে উত্তোলিত চা পাতা ওজন দিয়ে ট্রাকে তোলার সময় গাদাগাদি করে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয়। তাছাড়া দুপুরের মধ্যাণ্য ভোজের সময়ই সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে একত্রে বসে খাবার গ্রহন করেন। ফলে তাদের মাঝে করোনা ঝুঁকি সবচেয়ে বেশী রয়েছে।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরী বলেন, সারাদেশের ২৩০টি চা বাগানের নিবন্ধিত ও অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় দেড় লক্ষাধিক চা শ্রমিক রয়েছে। এই দেড় লক্ষাধিক চা শ্রমিক ও তাদের পরিবার এখন সম্পূর্ণরুপে করোনা ঝুঁকিতে রয়েছে। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, গত ৩১ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভিডিও কনফারেন্সের সময় সিলেটের জেলা প্রশাসক বলেছিলেন এ বিভাগের চার জেলা করোনামুক্ত। আর চা বাগানেও করোনার শঙ্কা নেই। তবে বর্তমান অবস্থায় সিলেট বিভাগের ৪ জেলায় করোনা সংক্রমণ রোগী রয়েছে এবং করোনা আক্রান্ত হয়ে রোগী মৃত্যুবরণও করেছে। এখন পুরো বিভাগ লকডাউনে আছে। তারপরও চা বাগানের শ্রমিকদের ছুটি দেওয়া হয়নি। তাই চা শ্রমিকদের করোনা ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে তাদের মানবিক বিবেচনায় সাধারণ ছুটি দানে নির্দেশনা দিতে চা শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে বুধবার প্রধানমন্ত্রী বরাবরে লিখিত আবেদন পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এরপরও চা শ্রমিকদের ছুটি না দিলে চা শ্রমিক ইউনিয়নের পরবর্তী সভা করে প্রয়োজনীয় কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

জুড়ী টাইমস সংবাদঃ মৌলভীবাজারের জুড়ীতে করোনা সংকটে কর্মহীন হয়ে পড়া দিন মজুর হতদরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন জুড়ী উপজেলার পাতিলাসাঙ্গন গ্রামের তরুণ সমাজসেবক শাহীন আহমদ রুলন।

কাজ না থাকায় আয় রোজগার বন্ধ হয়ে বিপাকে পড়েছেন অনেকে। জুড়ীর বিভিন্ন এলাকায় খাদ্যদ্রব্য বা নগদ অর্থ দিয়ে যে যেভাবে পারছেন অন্যের পাশে দাড়াচ্ছেন। উপজেলার পাতিলাসাঙ্গন গ্রামের শাহীন আহমদ রুলন তাঁর পারিবারিক অর্থায়নে সাগরনাল ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ১২৩ পরিবারকে সম্প্রতি এসব খাদ্যদ্রব্য উপহার দিয়েছেন। 

শাহীন আহমদ রুলন জানান, দেশের এ কঠিন মুহুর্তে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তিনি এ উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁরা এ কার্যক্রম ধারাবাহিক রাখবেন বলে জানান। রুলন বলেন, এই করোনা পরিস্তিতিতে সরকারের পাশাপাশি সবাই নিজের সামর্থ অনুযায়ী এলাকার মানুষের পাশে দাড়ালে এলাকার গরিব, অসহায়, নিম্নবিত্ত ও দিনমজুর সাধারন মানুষ অন্তত এই ভয়াবহ পরিস্তিতি থেকে কিছুটা স্বস্তি পাবে।